10th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 10th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়‘আনারস’ ও ‘চাবি’ শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজদের সাথে প্রাচীন ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের কারণে আলপিন, আলমারি, পেঁপে, পাদ্রি এবং সাবানের মতো অনেক শব্দ বাংলায় মিশে গেছে।
সঠিক বানানটি হলো ‘মুমূর্ষু’, যার প্রথম ও তৃতীয় ‘উ-কার’ এবং দ্বিতীয় ‘ঊ-কার’ হয়। এই বানানটিতে প্রায়ই ভুল হয়, তাই বিসিএস পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রমিত বানান।
‘শবদাহ’ শব্দটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত, কারণ এটি দুটি তৎসম শব্দের সঠিক মেলবন্ধন। অন্যদিকে ‘মড়াদাহ’ বা ‘শবপোড়া’ লিখলে তৎসম ও দেশি শব্দের মিশ্রণে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে।
বাঙালি শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন। আর পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতাটির নামও ‘কবর’।
‘সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে’ প্রবচনটি দিয়ে এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো ক্ষতি না করে উভয় পক্ষের স্বার্থ বা উদ্দেশ্য সফল হয়। পরীক্ষার জন্য প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ চেনার দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের শেষে অতিরিক্ত ‘ৎ’ বা বিসর্গ ব্যবহার করা অনুচিত, তাই ‘দুর্বলতাবশত’ বানানটিই সঠিক। অনুরূপভাবে ‘অনাথা’ শব্দের সঠিক প্রয়োগে বাক্যটি পূর্ণতা লাভ করেছে।
ক্রিয়াপদের মূল বা অবিভাজ্য অংশকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। ধাতু মূলত তিন প্রকার: মৌলিক, সাধিত ও যৌগিক ধাতু। বিসিএস ব্যাকরণ অংশে ধাতু ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
‘রত্নাকর’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রত্ন + আকর (অ + আ = আ)। দীর্ঘসন্ধির নিয়মানুসারে অ-কার বা আ-কারের পর অ-কার বা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ‘আ-কার’ হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের দ্বিত্ব বা জোড়া ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক সময় বহুবচন প্রকাশ করা হয়, যেমন—‘পাকা পাকা আম’। তবে ‘উড়ু উড়ু মন’ বা ‘নরম নরম হাত’ যথাক্রমে সামান্যতা ও তীব্রতা প্রকাশ করে।
‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’ প্রবচনটি রূপক অর্থে কোনো কাজে অতিরিক্ত লোক জুটলে কাজ পণ্ড হওয়া বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। প্রবচনগুলোর সঠিক প্রয়োগ ও রূপ মনে রাখা বিসিএস প্রিলির জন্য আবশ্যক।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ব্রিটিশ কবি টি. এস. এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনূদিত করেন। পরবর্তীতে বিষ্ণু দে এবং বুদ্ধদেব বসুও এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করে সাহিত্য অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেন।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে, যার প্রথম কবিতা হলো ‘প্রলয়োল্লাস’। এই গ্রন্থে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা স্থান পেয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
নামে কবিতা থাকলেও ‘শেষের কবিতা’ মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস। ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো অমিত, লাবণ্য ও কেতকী রায়।
‘মাথা খাটিয়ে কাজ করবে’ বাক্যে মাথা শব্দটি প্রজ্ঞা বা বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রসঙ্গভেদে মাথা শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়, যেমন—‘তিনি সমাজের মাথা’ বলতে মোড়ল বা প্রধান বোঝায়।
‘নিমরাজী’ শব্দটিতে ‘নিম’ একটি ফারসি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় কার, দর, না, ফি, বে প্রভূতি বিদেশি উপসর্গগুলোর সঠিক ব্যবহার জানা বিসিএস পরীক্ষার ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই কার্যকরী।
কিংবদন্তী এই গানটির রচয়িতা আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। গানটিতে প্রথম সুর দিয়ে গেয়েছিলেন আব্দুল লতিফ, তবে বর্তমানে যে জনপ্রিয় সুরটি বাজে তা আলতাফ মাহমুদের করা। বিসিএস প্রস্তুতিতে মনে রাখবেন, গানটি প্রথম সংকলিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সংকলনে।
সংস্কৃত বা প্রাকৃত ভাষার রূপ বদলে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়; যেমন—'চন্দ্র' থেকে বিবর্তিত হয়ে 'চাঁদ' শব্দটি এসেছে। অনুরূপভাবে হাত, পা, কান ও নাকও তদ্ভব শব্দের চমৎকার কিছু উদাহরণ। বিসিএস পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
ভাই গিরিশচন্দ্র সেন টানা ছয় বছর (১৮৮১-৮৬) অক্লান্ত পরিশ্রম করে পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ সম্পন্ন করেন। তাঁর অপরূপ সাহিত্যকর্মের মধ্যে মুসলিম সাধকদের জীবনী নিয়ে রচিত ‘তাপসমালা’ বিশেষভাবে সমাদৃত। বাংলা ভাষায় ইসলামিক সাহিত্য প্রসারে তাঁর এই অবদান অবিস্মরণীয়।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন