36th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 36th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়যেসব অণুজীব মানবদেহ বা অন্য কোনো পোষকদেহে রোগ সৃষ্টি করে, তাদের প্যাথোজেনিক বা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব বলা হয়। এদের একটি বড় অংশ পরজীবী হিসেবে কাজ করে। বিসিএস বিজ্ঞান অংশে বিভিন্ন চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রোগতত্ত্বের টার্ম যেমন— টক্সিন, ইনফেকশন ও প্যাথজেনের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে।
শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য স্নেহ, ভালোবাসা, স্বীকৃতি এবং তাদের ছোটোখাটো সাফল্যের প্রশংসা করা অত্যন্ত জরুরি। মনস্তাত্ত্বিক চাহিদাগুলো পূরণ না হলে শিশুর আচরণে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিসিএস педагогика ও মনস্তত্ত্ব অংশে এই ধরনের প্রশ্নগুলো বুদ্ধিমত্তার সাথে উত্তর করতে হয়।
ট্রিপসিন হলো অগ্ন্যাশয় রসে উপস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিওলাইটিক এনজাইম যা আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য হজমে সরাসরি সাহায্য করে। অন্যদিকে, টায়ালিন শর্করা পরিপাক করে এবং লাইপেজ স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখে। বিসিএস পরীক্ষায় মানবদেহের বিভিন্ন পাচক রস ও এনজাইমের কাজ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
আমাদের বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের পরেই তৃতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত নিষ্ক্রিয় গ্যাস হলো আর্গন, যার পরিমাণ প্রায় ০.৮০ শতাংশ। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানের শতকরা হার বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞান অংশের ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা প্রধানত অস্থিমজ্জায় উৎপাদিত হয় এবং প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে। জরুরি প্রয়োজনে প্লীহা রক্তে লোহিত কণিকা সরবরাহ করে থাকে বলে একে লোহিত কণিকার আধার বলা হয়। বিসিএস পরীক্ষার জন্য মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ ও রক্ত সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
ডায়নামো বা জেনারেটর হলো এমন একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে। এর বিপরীত কাজ করে বৈদ্যুতিক মোটর, যা বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। এই শক্তির রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিসিএস পদার্থবিজ্ঞান অংশে প্রায়ই দেখা যায়।
মস্তিষ্ক হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা করোটিকার ভেতরে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে এবং দেহের সকল ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। স্নায়ুতন্ত্র ও এর গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞানের জীববিদ্যা অংশের জন্য খুবই জরুরি।
নিউমোনিয়া কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়, এটি মূলত ব্যাকটেরিয়া (যেমন- Streptococcus pneumoniae) দ্বারা সংঘটিত একটি শ্বাসতন্ত্রের রোগ। পক্ষান্তরে হাম, পোলিও, ডেঙ্গু ও জন্ডিস হলো ভাইরাসঘটিত রোগ। বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন রোগ কোন জীবাণু দ্বারা ছড়ায় (ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া), তা সনাক্ত করতে প্রায়ই এই প্রশ্নটি দেওয়া হয়।
প্রাণিজগতের উৎপত্তি, বংশানুক্রমিক গুণাবলি এবং বংশগতির রীতিনীতি সংক্রান্ত বিদ্যাকে জেনেটিক্স বা জিনতত্ত্ব বলা হয়। জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার আধুনিক নাম ও তাদের কাজ বিসিএস প্রিলিমিনারির বিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত কমন ও গুরুত্বপূর্ণ টপিক।
ডিজেল বা গ্যাস অয়েল পোড়ালে ক্ষতিকর সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়, কারণ এগুলোতে সালফারের উপস্থিতি থাকে। অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন ও সিএনজি পোড়ালে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে জ্বালানির উৎস ও পরিবেশগত প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
মোবাইল টেলিফোনে কথা বলার সময় আমাদের শব্দশক্তি প্রথমে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং পরবর্তীতে তা আবার শব্দশক্তিতে পরিণত হয়ে অপর প্রান্তের শ্রোতার কানে পৌঁছায়। পদার্থবিজ্ঞানের শক্তি রূপান্তরের এই ব্যবহারিক প্রয়োগটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।
গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি জীবজগতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত হয় এবং সেন্টিমিটারের পর সেন্টিমিটার সীসার পাত ভেদ করতে সক্ষম। বিসিএস পরীক্ষায় তেজস্ক্রিয় রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব ও বৈশিষ্ট্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৭০০ ন্যানোমিটার) এবং এর বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম হওয়ার কারণে এটি অনেক দূর থেকেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সিগন্যাল বা বিপদের সংকেত হিসেবে লাল রং ব্যবহারের এটিই মূল কারণ।
ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপিতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (যেমন কোবাল্ট-৬০) থেকে নির্গত গামা বিকিরণ ব্যবহার করা হয়। আইসোটোপ হলো সেই সব পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাধারণ জ্ঞান অংশে এই ধরনের চিকিৎসাবিজ্ঞান সম্পর্কিত প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন