41st BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 41st BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়সঠিক উত্তর হলো 'আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য'। আলবার্ট আইনস্টাইন (১৪ মার্চ ১৮৭৯-১৮ এপ্রিল ১৯৫৫) জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি মূলত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের দুটি স্তম্ভের একটি) এবং ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র, \(\mathrm{E = m{c}^{2}}\) (যা বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ) আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯২১ সালে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও মহাকর্ষ সূত্রের আবিষ্কারক বিখ্যাত বিজ্ঞানী নিউটন এবং কৃষ্ণগহ্বর এর আবিষ্কারক হিসেবে বিজ্ঞানী জন হুইলার বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর হলো 'উপরের কোনটিই নয়'। লোহিত রক্ত কণিকা দেহের অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়ে ১২০ দিন পরে প্লীহাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। লোহিত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্য: পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না। লোহিত রক্তকণিকা দেখতে অনেকটা চাকতির মতো এবং দ্বি-অবতল। লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা শ্বেত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক বেশি। লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
সঠিক উত্তর হলো 'COD > BOD'। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত পানির গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড। মানদণ্ড (WHO) অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রা ১. pH ২. DO ৩. BOD ৪. COD ৫. TDS ৬. খরতা: \(\mathrm{C{a}^{2+}}\) \(\mathrm{M{g}^{2+}}\) ৭. \(\mathrm{NaCl}\) ১. 6.5 – 8.5 ২. 5.0 – 6.0 ৩. 6.0ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) ৪. 10.0 ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) ৫. 500 ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) ৬. 100 ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) 150 ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) ৭. 500 ppm (বা, \(\mathrm{mg{L}^{-1})}\) এ জন্যই নদীর পানিতে COD এর মান বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর হলো '১৯৯৭'। পাথফাইন্ডার নামে মঙ্গল অভিযানটি নাসা যে কয়টি মহাকাশযানকে মঙ্গলে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল, তার একটি। পাথফাইন্ডার মহাকাশযানটি ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে রওনা দেয় এবং ১৯৯৭ সালের জুলাইতে মঙ্গলে পৌঁছায়। এটা আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া জায়গাতেই নামে। আগের ভাইকিং-এর সঙ্গে এর তফাৎ হলো, এতে সোর্জনার নামে একটি চলমান রোবট ছিল।
সঠিক উত্তর হলো 'স্ট্রাটোমণ্ডল'। বায়ুমণ্ডলের স্তর পাঁচটি: ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠের নিকটতম স্তর। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা এ স্তরে সৃষ্টি হয়। স্ট্রাটোস্ফিয়ার ওজন স্তর অবস্থিত। এ স্তরেই ওজন গ্যাসের স্তর ঘনত্ব সর্বাধিক (৯০%)। মেসোস্ফিয়ার পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থান। তাপমাত্রা \(\mathrm{-83°C}\) আয়োনোস্ফিয়ার বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। এক্সোস্ফিয়ার এ স্তর ক্রমান্বয়ে ইন্টার প্লানেটরি স্তরে প্রবেশ করে।
সঠিক উত্তর হলো 'ক্লোরোপিক্রিন'। কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন। অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়। এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফর্ম \(\mathrm{(CC{l}_{3}N{O}_{2})}\) । ক্লোরোফর্মের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ক্লোরোপিক্রিন উৎপন্ন হয় \(\mathrm{(CHC{l}_{3}+HN{O}_{3}→CC{l}_{3}N{O}_{2}+{H}_{2}O)}\) ।
সঠিক উত্তর হলো 'নদীর পানিতে'। সাধারণত নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। লবণাক্ততা (সাগর) ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস করে। এছাড়াও আবদ্ধ পানির (লেক, পুকুর) চেয়ে প্রবহমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর হলো 'আর্টারি'। হার্ট থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাইরে নিয়ে যায় আর্টারি বা ধমনি। এর প্রাচীর পুরু, শক্ত ও স্থিতিস্থাপক। ভেইন (শিরা) অক্সিজেনবিহীন রক্ত দেহ থেকে হৃদপিন্ডে নিয়ে আসে।
সঠিক উত্তর হলো 'অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে'। প্রোটিন (আমিষ) জৈব বৃহৎ-অণুর প্রকারবিশেষ। প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। জীন নির্দিষ্ট অনুক্রমে অনেকগুলি আলফা অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল পলিমার তৈরি করে এবং তা সঠিকভাবে ভাঁজ হয়ে একটি প্রোটিন তৈরি হয়। ২০ প্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রোটিন তৈরিতে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে। এদের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিডকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে।
সঠিক উত্তর হলো 'ক্যালসিয়াম কার্বোনেট'। রসায়ন বিদ্যা থেকে আমরা জানি যে, ক্ষার ধাতু ব্যতীত অন্যান্য ধাতুসমূহের কার্বনেট লবণ পানিতে অদ্রবণীয়। ক্যালসিয়াম (Ca) ক্ষার ধাতু নয়, এটি একটি মৃৎক্ষার ধাতু। সুতরাং ক্যালসিয়ামের কার্বনেট লবণ বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় অর্থাৎ পানিতে দ্রবীভূত হয় না। অপরদিকে গ্লিসারিন, ফিটকিরি ও সোডিয়াম ক্লোরাইড \(\mathrm{(NaCl)}\) বা খাবার লবণ এদের প্রত্যেকেই পানিতে দ্রবণীয়।
৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৪টা ৪৫ মিনিট, অর্থাৎ বর্তমান সময় ৪:৪৫ + ৫০ মিনিট = ৫টা ৩৫ মিনিট। ৬টা বাজতে আর বাকি রয়েছে ৬০ - ৩৫ = ২৫ মিনিট।
স্ক্রু বা পেঁচানো জিনিস যখন আমরা ঘড়াই, তখন ডানহাতি স্ক্রু নিয়মানusar ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানো হয়। অর্থাৎ, স্ক্রু টাইট করার সময় এর ঘূর্ণন দিক এবং ঘড়ির কাঁটার দিক হুবহু একই থাকে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এ ধরনের সাধারণ বিজ্ঞান ও দৈনন্দিন পদার্থবিজ্ঞান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ডানহাতি নিয়মগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবেন।
প্রদত্ত সংখ্যা ও ভগ্নাংশগুলোর মান তুলনা করলে দেখা যায় সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হলো \(rac{১}{১৬}\)।
এখানে সংখ্যাগুলো গুণ করলে পাই: 0.1 × 3.33 × 7.1 = 2.3643। যেহেতু দশমিকের পর দুই ঘর বা তার কাছাকাছি মান অপশনে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হবে ২.৩৬। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার গণিতে দশমিকের গুণের ক্ষেত্রে অপশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আনুমানিক বা সঠিক দুই ঘর পর্যন্ত মান বের করতে হয়।
বেতন ৫% কমে ৯৫ টাকা হয়। পরে ৫% বাড়লে ৯৫ + (৯৫ এর ৫%) = ৯৫ + ৪.৭৫ = ৯৯.৭৫ টাকা। সুতরাং মোটের উপর বেতন হ্রাস পেয়েছে ১০০ - ৯৯.৭৫ = ০.২৫%।
বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, পদের শেষে থাকা বিসর্গ অ-ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়ে অপরিবর্তিত থাকে; যেমন— মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট। প্রাতঃকাল, শিরঃপীড়া ইত্যাদি বানানগুলোতেও এই একই নিয়ম প্রযোজ্য। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এ ধরনের সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে, তাই নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বিসর্গ ও ঋ-কারযুক্ত বানানগুলোর নিয়ম আয়ত্ত করে নিন।
উপমা বা অ্যানালজির এই প্রশ্নে প্রথম জোড়াটির সাথে দ্বিতীয় জোড়াটির কার্যগত সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। ঘড়ির নির্দেশক বা পরিমাপক হলো 'কাঁটা', ঠিক তেমনি থার্মোমিটারের সাহায্যে তাপমাত্রা পরিমাপের মূল উপাদান বা নির্দেশক হলো 'পারদ'। বিসিএস মানসিক দক্ষতা অংশে এ ধরনের সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে বিষয়বস্তুর পারস্পরিক সম্পর্ক গভীরভাবে অনুধাবন করতে হয়।
১০০ এর পরবর্তী ৩ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১০২ এবং ২০০ এর পূর্ববর্তী বৃহত্তম সংখ্যা ১৯৮। মোট সংখ্যা = \(rac{১৯৮ - ১০২}{৩} + ১ = ৩৩\)টি।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানি শাসক ও জুলফিকার আলী ভুট্টোর মনোভাবকে নির্দেশ করে এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন। ১৯৭১ সালের এই ভাষণটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অনন্য দলিল এবং ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত। বিসিএস বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য ৭ই মার্চের ভাষণের পটভূমি, প্রেক্ষাপট ও বিখ্যাত পংক্তিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পড়তে হবে।
রহিম উত্তর দিকে হেঁটে ডানদিকে (পূর্বে) ঘুরলেন, এরপর আবার ডানদিকে (দক্ষিণে) ঘুরলেন। অতএব তিনি বর্তমানে দক্ষিণ দিকে হাঁটছেন।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন