41st BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 41st BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম অভিধান ‘বঙ্গভাষাভিধান’ ১৮১৭ সালে সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তিনি বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক রামমোহন রায়ের সহযোগী ও ব্রাহ্মসমাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস থেকে এ ধরনের মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ লাভ করেন, যা এই পুরস্কারের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রাপ্তির রেকর্ড। তাঁর ডাকনাম বা পরিচিতি ‘সৈয়দ হক’ নামেও রয়েছে এবং সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় তাঁর সাবলীল পদচারণা ছিল। বিসিএস পরীক্ষার জন্য তাঁর জন্মসাল (১৯৩৫) ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথাবিরোধী ও আধুনিক মননশীল লেখক হুমায়ুন আজাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ (১৯৮৫)। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ (১৯৭৩) এবং তিনি একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক হিসেবেও সমাদৃত। বিসিএস প্রস্তুতিতে তাঁর সাহিত্যকর্ম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়।
১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চ মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও শিক্ষকদের হত্যার প্রতিবাদে তৎকালীন উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সাহসিকতার সাথে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও সংবিধান প্রণেতা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ও শোকাবহ অধ্যায়।
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর বিখ্যাত উপন্যাস ‘নাঢ়াই’ (২০০৩) মূলত ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। গ্রামীণ শোষিত মানুষের সংগ্রাম এবং নারী চরিত্রের লড়াকু রূপ এতে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় ঐতিহাসিক আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার লেখার কারণে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ হলো প্রবন্ধ সংকলন ‘যুগবাণী’ (১৯২২)। অন্যদিকে তাঁর প্রথম নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ হলো ‘বিষের বাঁশি’ (১৯২৪)। বিসিএসে নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ ও প্রকাশের সালগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রচিত উপন্যাস হলো ‘১৯৭১’ (যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়)। এই উপন্যাসের ভেতরে তিনি ‘সুতপার তপস্যা’ ও ‘একটি কালো মেয়ের কথা’ শিরোনামে দুটি ছোট উপন্যাসের আমেজ ফুটিয়ে তুলেছেন। আঞ্চলিক জীবনের গভীর পর্যবেক্ষক হিসেবে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম বিসিএস সিলেবাসের জন্য অপরিহার্য।
‘সোমত্ত’ শব্দটি সংস্কৃত ‘সমর্থ’ শব্দ থেকে বিবর্তিত হয়ে অর্ধতৎসম বা প্রাকৃত রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের কিছুটা পরিবর্তিত রূপই হলো অর্ধতৎসম শব্দ। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণের শব্দরূপ ও উৎস নির্ণয় অংশে এই ধরনের ব্যতিক্রমী প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
মমতাজউদ্দীন আহমেদ রচিত ‘কী চাহ হে শঙ্খচিল’ একটি প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও রণাঙ্গনের সত্যতা ফুটিয়ে তুলতে তাঁর নাটকগুলো অনন্য অবদান রেখেছে। বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের নাম আলাদা করে মনে রাখা আবশ্যক।
নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝটকে কোনো শব্দের যতটুকু অংশ একত্রে উচ্চারিত হয় তাকে ‘অক্ষর’ (Syllable) বলা হয়। যেমন— ‘স্পন্দন’ শব্দটিতে ‘স্পন’ ও ‘দন্’—এই দুটি অক্ষর রয়েছে। ধ্বনিবিজ্ঞান ও বর্ণমালা অংশ থেকে বিসিএসে প্রায়ই এই মৌলিক সংজ্ঞাটি থেকে প্রশ্ন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক ক্লিনটন বি সিলি কবি জীবনানন্দ দাশের ওপর 'A Poet Apart' নামক বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক জীবনী গ্রন্থটি রচনা করেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখক ও তাঁদের জীবনীকারদের নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বিদেশি গবেষকদের অবদানগুলো ভালোভাবে মনে রাখবেন।
পরোক্ষ উক্তি থেকে প্রত্যক্ষরূপে রূপান্তরের সময় বক্তার ইচ্ছা প্রকাশের জন্য 'দীর্ঘজীবী হও' প্রার্থনা সূচক বাক্যটি ব্যবহার করা হয়। উক্তি পরিবর্তনের নিয়মগুলো বিসিএস ব্যাকরণ অংশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে আশীর্বাদ বা প্রার্থনামূলক বাক্যগুলোর ক্ষেত্রে।
কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে 'গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা' প্রকাশিত হয়। এটি সে সময় গ্রামীণ শোষণ ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রেখেছিল, যা বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় পরীক্ষার জন্যই অত্যন্ত কমন একটি তথ্য।
মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও লীলাকে কেন্দ্র করেই মূলত বাংলা সাহিত্যে জীবনী সাহিত্যের ধারা সূচিত হয়। চৈতন্যদেবের এসব জীবনীকাব্যকে 'কড়চা' বলা হতো এবং বৃন্দাবন দাস এ ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা।
‘পরানের গহীন ভিতর’ বিখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা আঞ্চলিক ভাষারীতিতে অনন্য শৈলীতে রচিত। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে কবিদের জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত ৫ প্রকার, যার মধ্যে কোনো সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতি প্রকাশ পেলে তাকে নির্দেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা প্রকাশ পাওয়ায় এটি নির্দেশাত্মক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত।
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি কবি আলাউদ্দিন আল আজাদের ‘মানচিত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বের সঠিক প্রয়োগ এবং পদের বিন্যাস যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম বলে। বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় ৪টি (ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব) থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন থাকে।
বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে 'মনঃ + কষ্ট' মিলে 'মনঃকষ্ট' বানানটি সঠিক হয়, যেখানে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। বিসিএস বানান শুদ্ধি অংশে এই ধরনের বিসর্গ সংক্রান্ত নিয়মগুলো প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
প্রচুর (বিশেষ্য বা বিশেষণ প্রাতিপদিক) শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'প্রাচুর্য' গঠিত হয়েছে, আর শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ায় এটি তদ্ধিত প্রত্যয়। প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দমূল প্রাতিপদিক না ধাতু তা চিনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য জরুরি।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন