31st BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 31st BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়এখানে লোহা সঠিক উত্তর কারণ লোহা কোনো অর্ধ-পরিবাহী নয়, এটি একটি সুপরিবাহী ধাতু। সিলিকন, জার্মেনিয়াম ও গ্যালিয়াম হলো বহুল পরিচিত অর্ধ-পরিবাহী, যাদের পরিবাহিতা অন্তরক ও পরিবাহকের মাঝামাঝি। বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন পদার্থের পরিবাহিতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মৌলিক পদার্থগুলোর ধরন ভালোভাবে আয়ত্ত রাখুন।
আইসোটোপের ক্ষেত্রে সবসময় প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়। অন্যদিকে, আইসোটোনে নিউট্রন সংখ্যা এবং আইসোবারে ভরসংখ্যা সমান থাকে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এই টার্মগুলো থেকে কনফিউজিং প্রশ্ন করা হয়, তাই আইসোটোপ (প্রোটন সমান), আইসোটোন (নিউট্রন সমান) এবং আইসোবার (ভরসংখ্যা সমান)—এই পার্থক্যগুলো ছক আকারে মনে রাখুন।
ভারী পানির সঠিক সংকেত হলো \(\mathrm {D_2 O}\), যেখানে সাধারণ হাইড্রোজেনের বদলে এর আইসোটোপ ডিউটোরিয়াম ব্যবহৃত হয়। পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর বা গতি মন্থরকারী হিসেবে ভারী পানি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বিসিএস বিজ্ঞানের জন্য পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে ভারী পানির এই ভূমিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জারণ বিক্রিয়ায় পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন বর্জন করে, যার ফলে এর ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায়। এর বিপরীত প্রক্রিয়া অর্থাৎ ইলেকট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ বিক্রিয়া। মনে রাখার সহজ কৌশল হলো 'LEO says GER' (Lose Electron = Oxidation, Gain Electron = Reduction)।
বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায় স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে। এটি উচ্চ ভোল্টেজকে কমিয়ে নিরাপদ ও ব্যবহার উপযোগী নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ট্রান্সফর্মারের কাজ নিয়ে প্রশ্ন আসে, মনে রাখবেন স্টেপ-আপ ভোল্টেজ বাড়ায় আর স্টেপ-ডাউন ভোল্টেজ কমায়।
কাজের একক জুল এবং বলের একক ডাইন (সিজিএস পদ্ধতিতে)। এসআই (SI) পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন, তাই অপশন ও পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এককগুলো সতর্কতার সাথে দাগাতে হবে। বিসিএস এ বিভিন্ন রাশির একক ও মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়মিত আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ ভৌত রাশির এককগুলো চার্ট বানিয়ে মুখস্থ করে ফেলুন।
মেঘের অসংখ্য জলকণা ও বরফকণার পারস্পরিক ঘর্ষণে যখন বিপরীত চার্জ সঞ্চিত হয়, তখন বিশাল বিভব পার্থক্যের কারণে বজ্রপাত বা বিদ্যুৎ চমকায়। সাধারণত মেঘের নিচে ঋণাত্মক এবং ভূমিতে ধনাত্মক আধান জমা হয়ে এই প্রাকৃতিক বৈদ্যুতিক ডিসচার্জ ঘটে। বিসিএস ভূগোলের জলবায়ু ও দুর্যোগ সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য এটি একটি চমৎকার প্রশ্ন।
হিলিয়াম হলো সেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস যার বাইরের শক্তিস্তরে আটটি নয়, বরং মাত্র দুটি ইলেকট্রন থাকে (১s²)। নিয়ন, আর্গন ও অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সর্বশেষ কক্ষপথে অষ্টক বা আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে। রসায়নের পারমাণবিক গঠন ও ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে বিসিএস এ প্রায়ই এমন ব্যতিক্রমী প্রশ্ন করা হয়।
এপিকালচার হলো বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি লালন-পালন ও মধু উৎপাদনের প্রক্রিয়া। এ ধরনের বিভিন্ন চাষপদ্ধতির নাম বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কমন থাকে; যেমন—রেশম চাষকে সেরিকালচার এবং মৎস্য চাষকে পিসিকালচার বলা হয়। এক নজরে এই টার্মগুলো দেখে গেলে ১ নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হবে।
বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। যদিও জি ল্যামেটার এই তত্ত্বের প্রবর্তক ছিলেন, তবুও হকিং তাঁর ১৯৮৮ সালের বিখ্যাত গ্রন্থ “A Brief History of Time”-এ এর আধুনিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। বিসিএস সাধারণ জ্ঞানে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ও বিজ্ঞানীদের অবদান থেকে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ার বা থার্মোস্ফিয়ার স্তরে গ্যাসের অণুগুলো আয়নিত অবস্থায় থাকে বলে এখান থেকে বেতার তরঙ্গ খুব সহজে ভূপৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রায়ই বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর ও তাদের কাজ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ট্রপোস্ফিয়ার থেকে এক্সোস্ফিয়ার পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করে নিন।
অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত সরু ও নমনীয় কাচতন্তু যা আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে অত্যন্ত দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাবমেরিন ক্যাবল এবং হাই-স্পিড ইন্টারনেটে এর ব্যবহার অপরিহার্য, যা বিসিএস কম্পিউটার ও আইসিটি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
কম্পিউটার-টু-কম্পিউটারের বিশাল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে 'আর্পারনেট' (ARPANET) এর মাধ্যমে এবং বাংলাদেশে এটি চালু হয় ১৯৯৬ সালে। ইন্টারনেটের জনক ভিনটন গ্রে সার্ফ—এই তথ্যটি বিগত সালের বিসিএস পরীক্ষায় বহুবার এসেছে, তাই এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সমুদ্রের বুকে জাহাজের সঠিক দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করার জন্য অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপক যন্ত্র হিসেবে 'ক্রনোমিটার' ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষার হলে প্রায়ই এই প্রশ্নটির সাথে সেক্সট্যান্ট (অক্ষাংশ নির্ণায়ক) বা সিসমোগ্রাফ (ভূমিকম্প পরিমাপক) এর প্যাচ লাগতে পারে, তাই যন্ত্রগুলোর কাজ ভালোভাবে মাথায় রাখবেন।
পূর্ণিমা বা অমাবস্যা তিথিতে যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন তাদের মিলিত আকর্ষণে সাগরে প্রবল জোয়ার বা তেজকটাল সৃষ্টি হয়। বিসিএস ভূগোলের জন্য জোয়ার-ভাটার এই জ্যামিতিক অবস্থান এবং মরাকাটালের (সমকোণ অবস্থান) ধারণাটি খুবই কমন একটি প্রশ্ন।
কোলেস্টেরল হলো একধরনের জটিল প্রাণিজ স্টেরল বা কঠিন অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল, যা রক্তনালীতে জমে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞান অংশে প্রাণিবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে জৈব যৌগের এই শ্রেণিবিভাগগুলো প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
মাটির অম্লতা বেড়ে গেলে (pH এর মান কমে গেলে) উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ ব্যাহত হয়, তাই অম্লত্ব প্রশমিত করে উর্বরতা বাড়াতে কৃষি জমিতে চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। মাটির উর্বরতা রক্ষা ও pH স্কেল সম্পর্কিত এই ধরনের ফলিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন বিসিএসে নিয়মিত আসে।
মানব চোখ সাধারণত ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার (বা কোনো কোনো বইয়ে ৩৮০-৭৮০ ন্যানোমিটার) তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায়, যার মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর সবচেয়ে কম। বিজ্ঞানের এই গুরুত্বপূর্ণ বর্ণালী (Spectrum) সংক্রান্ত মানগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
হীরকের উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) এবং এর নির্দিষ্ট জ্যামিতিক গঠনের কারণে যখন আলো ভেতরে প্রবেশ করে, তখন বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে এবং আলো সহজে বের হতে না পেরে হীরা উজ্জ্বল দেখায়। আলোকবিজ্ঞানের এই ক্লাসিক্যাল উদাহরণটি বিসিএস প্রিলিমিনারিতে পদার্থবিজ্ঞান অংশের একটি নিশ্চিত কমন প্রশ্ন।
সাধারণভাবে সুস্থ মানবদেহে মোট ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, যার মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম (দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে) এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম (লিঙ্গ নির্ধারণ করে)। জীববিজ্ঞানের এই মৌলিক তথ্যটি বিসিএস সিলেবাসের জিন ও বংশগতি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন