24th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 24th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে যেসব গবেষণামূলক গ্রন্থ লিখেছেন, তার মধ্যে ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ অন্যতম। বিসিএস প্রস্তুতিতে তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ এবং ড. দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ (প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ) প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য কাব্যধর্মী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকاره প্রকাশিত হয়। এর বিখ্যাত চরিত্র অমিত ও লাবণ্য এবং এর জনপ্রিয় পঙ্ক্তি ‘ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী’ বিসিএস প্রিলি ও ভাইভায় খুব জনপ্রিয়।
‘ধূমকেতু’ হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে প্রকাশিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা। বিসিএস পরীক্ষায় নজরুলের বিভিন্ন পত্রিকা যেমন ‘নবযুগ’, ‘ধূমকেতু’ ও ‘লাঙ্গল’-এর সম্পাদনা নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রাখালী’, যা তাঁর গ্রামীণ জীবনের সুনিপুণ কাব্যরূপ ফুটিয়ে তুলেছে। কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ও তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩) হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস, যার রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন এবং ২৫ মার্চের গণহত্যার প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রশ্নের জন্য অত্যন্ত কমন।
‘জঙ্গম’ শব্দের অর্থ গতিশীল বা চলমান, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘স্থাবর’ বা নিশ্চল। বিসিএসের বাংলা ব্যাকরণ অংশে শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ে এমন তৎসম শব্দগুলো বারবার আসে।
‘উৎকর্ষ’ নিজেই একটি সম্পূর্ণ বিশেষ্য পদ, যার সাথে অতিরিক্ত ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করা দ্বিরুক্তি বা প্রত্যয়জনিত মারাত্মক অশুদ্ধি। বিসিএস ব্যাকরণে শুদ্ধ-অশুদ্ধ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যয়জনিত ভুলগুলো সতর্কতার সাথে লক্ষ করতে হবে।
বাক্যে ব্যবহৃত ‘না’ অব্যয়টি দিয়ে কোনো কিছু নিশ্চিত করার জন্য প্রশ্ন বা উত্তর চাওয়া হয়েছে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়েছে। তাই এটি স্পষ্টতই প্রশ্নবোধক অর্থের প্রকাশ ঘটিয়েছে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৩টি বিখ্যাত উপন্যাসের একটি হলো ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (বাকি দুটি ‘বাঁধনহারা’ ও ‘কুহেলিকা’)। অপশনের ‘আলেয়া’, ‘ঝিলিমিলি’ ও ‘মধুমালা’ তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক, যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
‘মা যে জননী কান্দে’ হলো একটি মর্মস্পর্শী কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করেছে। বিসিএসে বিভিন্ন কবির গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের নাম সরাসরি লেখকের সাথে মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক ‘বহিপীর’ এখানে সঠিক জোড়ায় রয়েছে; অন্যদিকে ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ কাব্য এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ হলো উপন্যাস। বিসিএস প্রিলিতে সাহিত্যকর্মের ধরন বা শ্রেণীবিভাগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
প্রদত্ত বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক অর্থে ‘ফাঁকি দেওয়া’ বোঝানো হয়েছে। বাংলা প্রবাদ ও বাগধারার মতো শব্দের নানা রূপান্তরে এমন বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়, যা বিসিএস ব্যাকরণের জন্য আবশ্যক।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’ (১৯২৬) বিপ্লববাদীদের সমর্থন করার অপরাধে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। ব্রিটিশ আমলের বাজেয়াপ্ত হওয়া সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক বইগুলোর তালিকা বিসিএস লিখিত ও প্রিলির জন্য মাস্ট-রিড।
এস. ওয়াজেদ আলীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ (১৯৪৩), যেখানে অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের বার্তা রয়েছে। বিসিএসে প্রবন্ধসাহিত্যের ক্ষেত্রে লেখকদের মননশীল ও সমাজসংস্কারমূলক বইয়ের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী স্বয়ংসিদ্ধ বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ যুক্ত শব্দ হলো ‘আষাঢ়’। বিসিএস বানানের নিয়মে ‘ণত্ব ও ষত্ব বিধান’ থেকে প্রতিবারই প্রশ্ন থাকে, তাই নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রমথ চৌধুরী তাঁর তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধ্ত্ত্বদীপ্ত রচনায় এই অমর বাণীটি প্রদান করেছেন। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে তাঁর বিখ্যাত উক্তি এবং ‘সবুজ পত্র’ পত্রিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই তাঁর সাহিত্যিক দর্শন ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘অক্ষির সমীপে’ মানে হলো সমক্ষ। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সমাস ও প্রত্যয়ভিত্তিক শব্দ সংক্ষেপণ থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে, যা একটু মনোযোগ দিলেই সহজে সঠিক করা সম্ভব।
সহজ কথায়, শব্দের আগে বসে উপসর্গ (যেমন: প্র, পরা) এবং শব্দের পরে বা অন্তে যুক্ত হয় প্রত্যয় (যেমন: কর + আন = করান)। ব্যাকরণের এই মৌলিক পার্থক্যটি মনে রাখলে উপসর্গ ও প্রত্যয় সংক্রান্ত যেকোনো বিভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে।
এখানে ‘কী’ শব্দটি বিশেষ্য পদের বিকল্প বা পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা সর্বনাম পদের অন্তর্ভুক্ত। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হয়।
যেহেতু ‘আকাশে’ শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে ‘এ’ (সপ্তমী) বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, তাই এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদকে কোথায় বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে সহজেই অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন