22nd BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 22nd BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়ধরি সংখ্যাটি x। প্রশ্নানুসারে, (x - ৬৫০) = (৮২০ - x), যার সমাধান করলে পাওয়া যায় ২x = ১৪৭০ এবং x = ৭৩৫। এই ধরনের গাণিতিক সমস্যায় দুটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ঠিক মধ্যবর্তী মান বের করতে সংখ্যা দুটির যোগফলকে ২ দিয়ে ভাগ করলেই সরাসরি উত্তর পাওয়া যায়।
সেট তত্ত্বের সূত্র ব্যবহার করে পাই, অন্তত একটি বিষয়ে পাস = n(গণিত) + n(বাংলা) - উভয় বিষয়ে পাস = ৮০% + ৭০% - ৬০% = ৯০%। সুতরাং উভয় বিষয়ে ফেল করেছে মোট পরীক্ষার্থীর ১০০% - ৯০% = ১০%। বিসিএস মানসিক দক্ষতা ও গণিতে পাস-ফেলের এই সূত্রটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসে।
৩৪৬ কে নির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ৩১ অবশিষ্ট থাকে, অর্থাৎ সংখ্যাটি (৩৪৬ - ৩১) বা ৩১৫ এর গুণনীয়ক হতে হবে এবং তা অবশ্যই ৩১ অপেক্ষা বড় হতে হবে। ৩১৫ এর উৎপাদকগুলো বিশ্লেষণ করলে ৩১-এর বড় গুণনীয়কগুলো পাওয়া যায় ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫ ও ৩১৫।
দ্রব্যটির বিক্রয়মূল্য ৩৮০ টাকা এবং ক্ষতি ২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য হবে ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা। শতকরা ক্ষতির সূত্র হলো (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০%, অর্থাৎ (২০ ÷ ৪০০) × ১০০% = ৫%। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে লাভ-ক্ষতির প্রাথমিক ধারণার জন্য এমন সহজ অথচ কৌশলগত অংক প্রায়ই থাকে।
ধري ছোট সংখ্যাটি x, তবে বড় সংখ্যাটি (x + 1)। ব리의 অন্তর (x + 1)² - x² = 2x + 1 = 199, যা থেকে 2x = 198 এবং x = 99 পাওয়া যায়, ফলে বড় সংখ্যাটি হয় 99 + 1 = 100। ক্রমিক সংখ্যার ক্ষেত্রে বরের অন্তর থেকে খুব সহজেই `(অন্তর + 1) ÷ 2` সূত্র দিয়ে বড় সংখ্যা বের করা যায়।
ধরি লব x এবং হর (x + 2), শর্তমতে (x - 3)/(x - 1) + 1/4 = 1 সমীকরণ সমাধান করে x = 9 পাওয়া যায়, ফলে ভগ্নাংশটি ৯/১১ হয়। বীজগণিতীয় ভগ্নাংশের এই ধরনের ভাষাভিত্তিক সমস্যাগুলো সমীকরণ আকারে সাজিয়ে সমাধান করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
দশমিক সংখ্যার বর্গমূলের ক্ষেত্রে ১-এর চেয়ে ছোট সংখ্যার বর্গমূল মূল সংখ্যা অপেক্ষা বড় হয়, যেমন \(\sqrt{0.3}\)-এর মান সাধারণ দশমিকে প্রায় ০.৫৪۷, যা অন্য যেকোনো বিকল্প অপেক্ষা বড়। বিসিএসে সংখ্যাতত্ত্বের এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি থেকে প্রায়ই কনফিউজিং প্রশ্ন করা হয়।
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, xy = [(x + y)² - (x - y)²] / 4। মানগুলো বসিয়ে পাই [12² - 2²] / 4 = [144 - 4] / 4 = 140 / 4 = 35। এটি উৎপাদক ও মান নির্ণয়ের অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র।
৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর হলে বর্তমানে ছেলের বয়স (১২ - ৫) = ৭ বছর, এবং স্ত্রীর বয়স ছেলের ৪ গুণ অর্থাৎ ৭ × ৪ = ২৮ বছর। যেহেতু স্বামী স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছর বড়, তাই স্বামীর বর্তমান বয়স ২৮ + ৫ = ৩৩ বছর। বয়স সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের সময় বর্তমান ও ভবিষ্যতের বয়স ধাপে ধাপে বের করতে হয়।
অনুপাতগুলোর যোগফল ৩ + ৭ + ১০ = ২০। এখন ৬০ মিটার বাঁশকে আনুপাতিক ভাগে ভাগ করলে প্রথম টুকরা ৬০ × (৩/২০) = ৯ মিটার, দ্বিতীয় টুকরা ৬০ × (৭/২০) = ২১ মিটার এবং তৃতীয় টুকরা ৬০ × (১০/২০) = ৩০ মিটার পাওয়া যায়। অনুপাত ও সমানুপাতের অংকগুলোর ক্ষেত্রে মোট পরিমাণের সাথে আনুপাতিক ভগ্নাংশ গুণ করলেই সঠিক উত্তর মিলে যায়।
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মেয়াদ ছিল ৩০ বছর। এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হবে। বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তিটি স্বাক্ষরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এইচ ডি দেবে গৌড়া।
তৈরি পোশাক শিল্প খাত বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এবং প্রধান রপ্তানি খাত। ইপিবি-র তথ্য অনুযায়ী মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে এই খাত থেকে, যা দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিসিএস প্রস্তুতিতে এই খাতের অবদান ও জিডিপির অংশ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কুমিল্লা বার্ড (BARD)-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন প্রখ্যাত সমাজকর্মী ড. আখতার হামিদ খান। ১৯৫৯ সালে কুমিল্লার কোটবাড়িতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়ভিত্তিক গবেষণা প্রসারের লক্ষ্যে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বিসিএস পরীক্ষায় গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এই প্রতিষ্ঠাতার নাম খুব কমন একটি প্রশ্ন।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় পাকিস্তানের লাহোরে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আদায়ের এই রূপরেখা তুলে ধরেন। বিসিএস পরীক্ষার জন্য ছয় দফার সাল, তারিখ এবং উত্থাপন স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ। এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই তিনি বিখ্যাত 'সূর্যাস্ত আইন' বলবৎ করেছিলেন যার দ্বারা নির্দিষ্ট দিনের সূর্যাস্তের মধ্যে রাজস্ব পরিশোধ করতে হতো। ব্রিটিশ আমলের ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা থেকে বিসিএস-এ প্রায়ই এই প্রশ্নটি করা হয়।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও উপজেলা হলো যথাক্রমে পঞ্চগড় এবং তেঁতুলিয়া। এছাড়া, বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সর্বশেষ ভূখণ্ড হলো পঞ্চগড় জেলার বাংলাবান্ধা। ভৌগোলিক অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর নিশ্চিত করতে ৬৪ জেলার প্রান্তিক স্থানগুলো ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সিলেট শহর সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে, তা বিসিএস ভূগোল ও পরিবেশ অংশে নিয়মিত আসে। যেমন—ঢাকা বুড়িগঙ্গা এবং চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
বাংলাদেশের বিখ্যাত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরটি নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের অধীনে এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প সংস্কৃতি সংরক্ষণে এর ভূমিকা অপরিসীম, যা বিসিএস শিল্প ও সংস্কৃতি টপিকের জন্য দারুণ গুরুত্বপূর্ণ।
মণিপুরী নাচ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী নৃত্যশৈলী। এটি আমাদের লোক সংস্কৃতির এক অনন্য রূপ যা দেশজুড়ে সমাদৃত। বিসিএস-এর বাংলাদেশ বিষয়াবলির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অংশ থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই দেখা যায়।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধार्थে ১৯৭১ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী এই সেক্টরগুলো পরিচালনা করেন। বিসিএস প্রিলিমারিতে মুক্তিযুদ্ধ ও সেক্টর কমান্ডারদের নাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন