15th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 15th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
7টি বিষয়আলোচ্য পঙ্ক্তিগুলো বিখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি শেখ ফজলুল করিমের রচনা। বিসিএস প্রস্তুতিতে প্রায়ই এ ধরনের ধ্রুপদী চরণ বা কবিতা কার লেখা, তা থেকে প্রশ্ন আসে; তাই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর পঙ্ক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখুন।
ইংরেজি ‘Wisdom’ শব্দটির সঠিক ও উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো ‘প্রজ্ঞা’, যা গভীর জ্ঞান ও বিচক্ষণতাকে নির্দেশ করে। বিসিএস ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ ও ভোকাবুলারি অংশের জন্য এ ধরনের সূক্ষ্মার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
যে জমিতে কোনো ধরনের ফসল জন্মায় না, তাকে এককথায় 'ঊষর' বলা হয়। অন্যদিকে, উর্বরতার অভাব বোঝাতে 'অনুর্বর' এবং চাষাবাদের বাইরে ফেলে রাখা জমিকে 'পতিত' বলা হয়। বিসিএস পরীক্ষায় এমন শব্দার্থের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
এখানে 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত বা অবনতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মূল অর্থ মানের বিপরীত অর্থাৎ অসম্মান। একই উপসর্গ অপকার বা অপচয়ের ক্ষেত্রেও বিপরীত বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করে। বিসিএসে উপসর্গ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকায় বিভিন্ন অর্থের ব্যবহারগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরোধা কবি আল-মাহমুদের সর্বশ্রেষ্ঠ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হলো 'সোনালী কাবিন'। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে গঠিত এই দীর্ঘ কবিতাটি বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে সমাদৃত। কবি আল-মাহমুদ তাঁর লোকজ চেতনা ও স্বকীয় কাব্যভাষার জন্য বিসিএস সিলেবাসের সাহিত্য অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত গীতিনাট্য 'বসন্ত' বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। অন্যদিকে, কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর জনপ্রিয় 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করে এক অনন্য সাহিত্যিক সৌহার্দ্যের নিদর্শন স্থাপন করেন। এই পারস্পরিক উৎসর্গীকृत গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জনপ্রিয় এমসিকিউ।
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত সৃজনশীল ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম হলো 'উত্তরাধিকার'। এছাড়া একাডেমি থেকে 'ধানশালিকের দেশ' ও 'বাংলা একাডেমি পত্রিকা'-র মতো গুরুত্বপূর্ণ সাময়িকীও প্রকাশিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা একাডেমি ও এর প্রকাশনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে।
বাঙালি মুসলমান সমাজে মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রসারের লক্ষ্যে ১৯২৬ সালে গঠিত 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মূল চালিকাশক্তি ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেন। তাদের প্রকাশিত মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার বিখ্যাত আপ্তবাক্য ছিল 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। বিসিএসে এই স্লোগান ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে বহুবার প্রশ্ন এসেছে।
প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, আর এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি। এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক মূলত তৎকালীন সমাজের এক শ্রেণির মানুষের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্র ও রচয়িতা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল চরিত্রগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বিখ্যাত ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে এবং মননশীল প্রবন্ধ চর্চায় এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বাংলার বিভিন্ন কালজয়ী পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম খুব কমন একটি টপিক।
ট্র্যাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য লুকিয়ে থাকে মানুষের জীবনানুভূতি ও আবেগের গভীরতার প্রকাশের ওপর। ট্র্যাজেডিতে জীবনের গম্ভীর ও দুঃখজনক পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়, যেখানে কমেডিতে থাকে হালকা হাস্যরস এবং ফার্সে থাকে সমাজের ত্রুটি নিয়ে তীব্র ব্যঙ্গ।
সাধু ও চলিত রীতির মূল ফার্স বা রূপগত ভিন্নতা মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায়। সাধু রীতিতে এগুলো তৎসম ও একটু গুরুগম্ভীর রূপ নেয়, আর চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য হয়।
বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে খ্যাতনামা 'সমকাল' পত্রিকার দক্ষ সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফর।
প্রখ্যাত মননশীল ও দার্শনিক প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন 'প্রভাত চিন্তা', 'নিভৃত চিন্তা' এবং 'নিশীথ চিন্তা'-র স্বনামধন্য রচয়িতা হলেন কালীপ্রসন্ন ঘোষ।
প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক এবং 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী এই অমর বাণীটি উচ্চারণ করেছিলেন।
বাংলা বানାନের নিয়ম অনুযায়ী 'মুহুর্মুহু' শব্দটিতে প্রতিবারই হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে এই শব্দটি খুবই জনপ্রিয় এবং এটি প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই মনে রাখুন যে, এই শব্দের উভয় অংশে 'মুহুর' এবং 'মুহু' দু'জায়গাতেই উ-কার হবে।
‘দ্যুলোক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো ‘দিব্ + লোক’, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিপাতনে সিদ্ধ উদাহরণ। ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে এই সন্ধি গঠিত হয় না বিধায় বিসিএস পরীক্ষায় এটি ব্যতিক্রমী প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে। নিয়মবহির্ভূত এমন নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো যেমন—ষোড়শ বা পরস্পর—ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
‘তাপ’ শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘শৈত্য’। বাংলা শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের গভীর অর্থ এবং তৎসম রূপের বিষয়টি মাথায় রাখতে হয়। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণ অংশে এই ধরনের শব্দার্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন করা হয়।
‘ইচ্ছা’ বিশেষ্য পদের সঠিক বিশেষণ রূপ হলো ‘ঐচ্ছিক’। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে যখন বিশেষ্যকে বিশেষণে রূপান্তর করা হয়, তখন ‘ইচ্ছা’ থেকে ‘ঐচ্ছিক’ (যা ইচ্ছাধীন) শব্দটি তৈরি হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এ ধরনের শব্দ রূপান্তর প্রায়ই আসে, তাই প্রত্যয় ও প্রকৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
যখন কোনো বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া এবং তার কর্মপদ একই ধাতু বা মূল থেকে গঠিত হয়, তখন তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। এখানে ‘চাল’ কর্মপদটি ‘চেলেছে’ ক্রিয়াপদের সাথে একই উৎস বা ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। বিসিএসে কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই সমধাতুজ কর্মের কনসেপ্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন