14th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 14th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়প্রিয় পরীক্ষার্থী, পঙ্ক্তিগুলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল গীতিকা’ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ‘মহুয়ার গান’ থেকে নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার হলে নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গান ও কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম বারবার বিসিএস-এ আসে, তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
বাংলা আধুনিক গীতিকাব্যের জনক বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ভোরের পাখি’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। মনে রাখবেন, তাঁকে ‘বাংলার শেলি’ নামেও ডাকা হয়, যা বিগত সালের বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।
১৮৭৩ সালে প্রকাশিত মীর মশাররফ হোসেনের ‘বসন্ত কুমারী’ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম কোনো মুসলিম লেখকের রচিত মৌলিক নাটক। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে প্রথম মুসলিম নাট্যকার বা সাহিত্যিক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মীর মশাররফের অবদানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
‘বিভীষিকা’ বানানটিতে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার এবং পেটকাটা মধ্যণ-ষ যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ ধারণ করেছে। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণে বানরের শুদ্ধিকরণ থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন থাকে, তাই এই জটিল বানানটি ভালোভাবে মনে রাখুন।
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিখ্যাত প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রচলনে বিপ্লব এনেছিল, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চর্যাপদ রচনার কাল ধরেই বাংলা ভাষার আদি স্তরের সময়সীমা ধরা হয় দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। বিসিএস বাংলা সাহিত্য ও ভাষা অংশে ভাষাংশের উৎপত্তি ও কালক্রম নিয়ে ভাষাবিদদের এই মতপার্থক্যগুলো প্রায়ই পরীক্ষাদাতা করে থাকেন।
দুই বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য কোনো যোজক (যেমন: এবং, কিন্তু, তথাপি) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তর ও বাক্যের গঠনগত বৈশিষ্ট্য চেনার জন্য এই মৌলিক সংজ্ঞাটি অত্যন্ত সহায়ক।
‘রাবণের চিতা’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ যার মূল অর্থ এমন চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি যা সহজে দূর হয় না। লঙ্কাপতি রাবণের চিতা যেমন নিভে না, তেমনি মানুষের জীবনের কোনো কোনো সংকটও সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পৌরাণিক ও সামাজিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি এর পেছনের উৎসগুলো খেয়াল রাখবেন।
‘কুচবরণের কন্যা’ কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ইব্রাহীম খাঁর লেখা নয়, এটি বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক বন্দে আলী মিয়ার একটি চমৎকার শিশুতোষ গ্রন্থ। অন্যদিকে ইব্রাহীম খাঁ তাঁর ‘অনাসর পাশা’, ‘কামাল পাশা’ এবং ভ্রমণকাহিনি ‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। সাহিত্যিকদের নামের সাথে তাঁদের বিখ্যাত সৃষ্টিগুলো গুলিয়ে ফেলা এড়াতে ছক আকারে পড়া সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।
ভাগ্য বা কপাল মন্দ হওয়া বা দুর্ভাগ্যকে প্রকাশ করতেই ‘আট কপালে’ প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, অমিতব্যয়ী বা অতিরিক্ত খরচকারী বোঝাতে ‘উড়নচণ্ডী’ এবং দীর্ঘায়ু বোঝাতে ‘ভূষণ্ডির কাক’ প্রবচনটি ব্যবহৃত হয়। বিসিএস প্রিলি পরীক্ষায় শব্দের অর্থের সঠিক প্রয়োগ ও প্রবচন থেকে এক নম্বর নিশ্চিত করতে এমন পেয়ারগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
সাংবাদিকতা ও গদ্যসাহিত্যের অগ্রদূত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাংলা সংবাদপত্রের সাল এবং প্রথম সম্পাদকদের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
যে শব্দগুলোকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অর্থবোধক অংশে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। এখানে ‘গোলাপ’ একটি মৌলিক শব্দ, পক্ষান্তরে ‘শীতল’ বা ‘গৌরব’ হলো প্রত্যয় সাধিত শব্দ। শব্দ গঠনের এই মৌলিক নিয়মটি বাংলা ব্যাকরণ অংশে ভালো নম্বর পেতে দারুণ সাহায্য করবে।
বাংলা ভাষায় ‘ঢাকের বাঁয়া’ বাগধারাটির উপযুক্ত অর্থ হলো এমন কোনো বস্তু বা ব্যক্তি যার সমাজে বা সংসারে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব বা মূল্য নেই। অন্যদিকে, ‘তুলসী বনের বাঘ’ মানে ভণ্ড এবং ‘তামার বিষ’ অর্থ অর্থের কুপ্রভাব। বিসিএসের বাংলা ব্যাকরণে বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই ঘুরিয়ে দেওয়া হয়, তাই সতর্ক থাকুন।
মধ্যযুগের জনপ্রিয় কাব্য ‘আমীর হামজা’ রচনা শুরু করেছিলেন কবি ফকীর গরীবুল্লাহ, তবে তিনি তা অসমাপ্ত রেখেই মারা যান। পরবর্তীতে কবি সৈয়দ হামজা এই অসমাপ্ত কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। মধ্যযুগের সাহিত্যের রচয়িতা এবং কবিদের যুগলবন্দী মনে রাখার জন্য এটি একটি চমৎকার প্রশ্ন।
প্রাচীন ভারতীয় ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তিত হয়ে পূর্বাঞ্চলীয় রূপ বা ‘কুটিল লিপি’র মাধ্যমে বর্তমান বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের এই ঐতিহাসিক ধারাটি ভাষা বিজ্ঞান ও ব্যাকরণ প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
এখানে ‘জীবন’ ও ‘জীবিকা’ হলো বিশেষ্য পদ, কিন্তু ‘জীবনী’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর জীবনবৃত্তান্ত বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পদ পরিবর্তন বা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শব্দের বাক্যে ব্যবহারের প্রেক্ষাপট খেয়াল রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য দারুণ একটি কৌশল।
ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে লিখিত রূপ বা রূপচিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকেই বর্ণ বলা হয়। অর্থাৎ, বর্ণ হলো মূলত ধ্বনির নির্দেশক বা রূপগত প্রতীক। বাংলা ভাষার মৌলিক ধারণার প্রশ্নগুলোতে বিভ্রান্ত এড়াতে সংজ্ঞাগুলো স্পষ্ট রাখা চাই।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ তাঁর অমর সৃষ্টি। বিসিএস পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল বা তারিখ প্রায়ই পরীক্ষিত হয়, যা সালভিত্তিক ক্রমানুসারে মনে রাখা শ্রেয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রভাতসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ একটি জীবনবাদী ও দার্শনিক কবিতা। এই কবিতায় কবি জড়তা ও অন্ধত্ব ভেঙে প্রাণের উন্মেষ ঘটিয়েছেন এবং মানুষের ভবিষ্যৎকে অত্যন্ত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় বলে উপলব্ধি করেছেন। কবিতার মূল সুর হলো সুন্দরের অন্বেষণ এবং জড়ত্ব কাটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহা।
যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় কতিপয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন—'নদী' বললে পদ্মা, মেঘনা বা যমুনা কোনো নির্দিষ্ট নদীকে না বুঝিয়ে বিশ্বের সকল নদীকেই বোঝানো হয়। বিসিএস ব্যাকরণ অংশে পদের প্রকারভেদ নির্ণয় করার সময় এই সাধারণ ও নির্দিষ্ট নামের পার্থক্যটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন