14th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 14th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়দহগ্রাম ছিটমহল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও ভৌগোলিকভাবে ভারতের ভেতরে অবস্থিত ছিল। বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান বিসিএস পরীক্ষার আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদীর মোহনায় অবস্থিত ছিল, যাকে ভারত ‘নিউমুর’ নামে দাবি করত। ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে বিসিএস বা অন্যান্য সরকারি চাকরিতে সীমান্তবর্তী ভৌগোলিক অবস্থান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সাভারে অবস্থিত আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধের খ্যাতনামা স্থপতি হলেন মইনুল হোসেন। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ভাস্কর্য এবং সেগুলোর স্থপতিদের নাম মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।
ঐতিহ্যবাহী নক্ষী কাঁথা ও লোকশিল্প সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা পরবর্তীতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে নামকরণ করা হয়। বিসিএস বাংলাদেশ বিষয়াবলির শিল্প-সংস্কৃতি অংশে এই তথ্যটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
হংকংকে চীনের অন্তর্ভুক্ত করার সময় ‘এক দেশ, দুই নীতি’ (One Country, Two Systems) নীতিটি চালু করা হয় যাতে হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতি বজায় থাকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক ও ঐতিহাসিক চুক্তি নিয়ে বিসিএস পরীক্ষার্থীদের এই ধরনের প্রশ্নগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হয়।
পুনর্ভবা, নাগর, কুলিখ ও টাঙ্গন হলো উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান নদী মহানন্দার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উপনদী। নদী ও শাখা-উপনদীর অবস্থান থেকে বিসিএস ভূগোল অংশে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মানচিত্র দেখে পড়ার অভ্যাস করলে এই নম্বরগুলো সহজেই পাওয়া সম্ভব।
ইংরেজি ১৭৭০ সালে এবং বাংলা ১১৭৬ সালের ভয়াবহ খরা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈতশাসনের মারপ্যাঁচে বাংলার অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, যা ইতিহাসে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে অমর হয়ে আছে। এতে তৎকালীন বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ না খেয়ে মারা যায়। বিসিএসে বাংলার সাল এবং ইংরেজি সালের এই রূপান্তরগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রশ্ন.
উনিশ শতকে জমিদারদের সীমাহীন শোষণ ও খাজনা আদায়ের অমানবিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা দুদু মিয়া ঘোষণা করেছিলেন যে জমির ওপর একমাত্র আল্লাহরই সার্বভৌমত্ব রয়েছে। কৃষক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে তাঁর এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দারুণ ভূমিকা রেখেছিল। বাংলার কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাস থেকে বিসিএসে প্রায়ই এমন ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের স্লোগান নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত শহীদ হামিদুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিপাহী পদবিতে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে বয়সে সবচেয়ে কনিষ্ঠ। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বীরশ্রেষ্ঠদের পদবি, জন্মস্থান বা সেক্টর সংক্রান্ত তথ্য প্রায়ই পরীক্ষালব্ধ হয়ে থাকে।
তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে যমুনা নদী বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাটে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। নদী ব্যবস্থার এই মিলনস্থলগুলো বিসিএস ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, পরবর্তীতে এই মিলিত ধারা চাঁদপুরের কাছে মেঘনার সাথে মিশে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভৌগোলিক সীমানা নির্দেশকারী জেলাটি হলো পঞ্চগড়, যেখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতমালাও দৃশ্যমান হয়। অন্যদিকে সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজার বা টেকনাফ, পূর্বে বান্দরবান এবং পশ্চিমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা সংক্রান্ত এই মৌলিক তথ্যগুলো বিসিএস প্রস্তুতিতে অবশ্যই আয়ত্তে রাখতে হবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে এটি দীর্ঘ আলোচনার পর ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে সংবিধানের উত্থাপন, গ্রহণ ও কার্যকরের তারিখ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর সাল ও তারিখ আলাদাভাবে মনে রাখুন।
১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন শুধু মুখের ভাষার অধিকারই আদায় করেনি, বরং এটি পূর্ব বাংলার মানুষের মনে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছিল। এই ঐতিহাসিক আন্দোলনই পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। বিসিএস পরীক্ষায় ঐতিহাসিক ঘটনাবলির পেছনের মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক প্রভাব থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন করা হয়।
নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও পলাশ সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশের কৃষকদের চাহিদা পূরণে ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ সার উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রস্তুতি ও শিল্পখাত থেকে বিসিএস-এ এই ধরনের কারখানার অবস্থান ও উৎপাদিত পণ্যের নাম বারবার পরীক্ষাতে আসে।
জাতীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও প্রজনন নিশ্চিত করতে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ২৩ সেন্টিমিটার বা তার চেয়ে ছোট রুই জাতীয় মাছের পোনা ধরা বা ধ্বংস করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ইলিশ সুরক্ষার জন্য ২৫ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের জাটকা ধরার ওপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিসিএস পরীক্ষার পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদ বিষয়ক প্রশ্নগুলোর জন্য এই পরিমাপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের প্রধান ও সবচেয়ে বড় জাহাজ নির্মাণ কারখানা তথা খুলনা শিপইয়ার্ড রূপসা নদীর তীরে লবণচড়ায় অবস্থিত। এটি দেশের ভারী শিল্প ও নৌ-খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিসিএস প্রস্তুতিতে দেশের প্রধান প্রধান ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মূলত খাসিয়া এবং গারো সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক হলেও সাঁওতালসহ প্রায় বাকি সব জাতিগোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো ও নেতৃত্ব পিতৃতান্ত্রিক হয়ে থাকে। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য ব্যতিক্রমী তথ্যগুলো (যেমন মাতৃতান্ত্রিক সমাজ) আলাদা করে নোট করে রাখা অত্যন্ত কার্যকর কৌশল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া গ্রামীণ ব্যাংক পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকের মর্যাদা লাভ করে এবং ক্ষুদ্রঋণের মডেল বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়। গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি নোবেল শান্তি পুরস্কারসহ আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন করে। অর্থনৈতিক ইতিহাস ও অর্জন থেকে বিসিএস-এ এই প্রশ্নটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
কর্ণফুলী পেপার মিলস যা রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত, সেখানে কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে পাহাড়ি অঞ্চলের বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন পেপার মিলের প্রধান কাঁচামাল ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস পরীক্ষার শিল্প ও অর্থনীতি অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপ ও সুষম ডিজাইন তৈরি করেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান, যদিও এর প্রাথমিক রূপরেখায় মানচিত্র যুক্ত ছিল। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও নকশাকার ছিলেন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবদান ও রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ইতিহাস সংক্রান্ত তথ্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অবশ্যপাঠ্য।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন