38th BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 38th BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
10টি বিষয়এখানে সঠিক বানান হলো 'ত্রিভুজ'। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন কিছু বিভ্রান্তিকর বানান যেমন— শূন্য, পুণ্য ও ভুবন; তাই বানানের নিয়মগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করে নেওয়া জরুরি।
‘একত্রিত’ শব্দটিতে প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে, কারণ সঠিক রূপটি হবে ‘একত্র’। বিসিএস ব্যাকরণ অংশে এ ধরনের প্রত্যয়জনিত শুদ্ধি পরীক্ষা অত্যন্ত কমন, তাই শব্দগঠনের মূল নিয়মগুলো চর্চা করুন।
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো ৭টি— অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। মনে রাখবেন, স্বরবর্ণ ১১টি হলেও ধ্বনি ও বর্ণের এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই বিসিএস-এ প্রশ্ন হয়ে থাকে।
'বাবা' শব্দটি একটি তুর্কি শব্দ। বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ভাষা থেকে আসা বৈদেশিক শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন থাকে, তাই তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দের তালিকাটি ভালোভাবে পড়ে নিন।
আইনি বা প্রশাসনিক পরিভাষা হিসেবে 'Null and Void' এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো 'বাতিল'। বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় পরীক্ষার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি পরিভাষাগুলো নিয়মিত চর্চা করা উচিত.
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র শুদ্ধ বানান হলো 'স্বায়ত্বশাসন'। বিসিএস পরীক্ষায় বানানের বানান শুদ্ধিকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমাসবদ্ধ ও প্রত্যয়যুক্ত জটিল বানানগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দিন।
'গিন্নি' একটি অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন সংস্কৃত শব্দ, যার মূল রূপ 'গৃহিণী'। বিসিএস-এ তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পার্থক্য নির্ণয় প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই উদাহরণগুলো ছক আকারে পড়ে নিন।
'শ্রদ্ধা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: শ্রৎ + √ধা + অ + আ। বিসিএস ব্যাকরণ প্রস্তুতিতে কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের এই জটিল বিশ্লেষণগুলো বারবার অনুশীলন করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
'পুষ্পসৌরভ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'পুষ্পের সৌরভ', যা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। সমাস নির্ণয়ের সময় বিভক্তির লোপ পাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সম্ভব।
'অর্ক' হলো সূর্য শব্দের একটি অন্যতম চমৎকার সমার্থক শব্দ; এর বাইরে রবি, ভানু, ভাস্কর ও আদিত্যও বেশ পরিচিত। বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দগুলো আয়ত্ত করতে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসরণ করুন।
‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি মূলত ‘হ্’ এবং ‘ম’-এর মিলনে গঠিত হয়, যার চমৎকার কিছু উদাহরণ হলো ‘ব্রাহ্মণ’ বা ‘ব্রহ্মাণ্ড’। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক ভাঙা রূপ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই হ-ফলা বা ম-ফলার ব্যতিক্রমী রূপগুলো ভালো করে আয়ত্ত করুন।
বাংলা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কারান্ত পদের পরের বিসর্গের সাথে ঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি যুক্ত হলে বিসর্গটি ‘ও-কার’ এ রূপান্তরিত হয়; যেমন ‘সদ্যঃ + জাত’ মিলে হয় ‘সদ্যোজাত’। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে এ জাতীয় নিয়মভিত্তিক সন্ধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করুন।
‘ব্যক্ত’ শব্দের মূল অর্থ প্রকাশিত বা স্পষ্ট, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘গূঢ়’ যার অর্থ লুক্কায়িত বা গুপ্ত। বিসিএস বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের সূক্ষ্ম অর্থ অনুধাবন করা খুবই জরুরি।
কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলো ‘মোড়ক’, যা √মুড় ধাতুর সাথে ‘অক’ প্রত্যय যোগে গঠিত হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই তদ্ধিত ও কৃৎ-প্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ধাতু চেনার অভ্যাসটি কাজে লাগান।
একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিনটি গুণ হলো—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা; সুতরাং ‘আসক্তি’ (যা মূলত নেশা বা অনুরাগকে বোঝায়) সার্থক বাক্যের গুণ নয়, বরং সঠিক পদবিন্যাস হলো ‘আসত্তি’। বাক্য প্রকরণের এই বানানগত ও অর্থগত পার্থক্যগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অধিকাংশ পদই রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ির কথোপকথন বা সংলাপের মাধ্যমে রচিত হওয়ায় একে নাট্যগীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্মের রূপ এবং বৈশিষ্ট্য থেকে বিসিএস-এ প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
চর্যাপদের ভাষাকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ‘সন্ধ্যাভাষা’ বা ‘আলো-আঁধারি ভাষা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন যার অন্তর্নিহিত অর্থ সহজে বোধগম্য নয়। চর্যাপদের ভাষা ও তত্ত্ব নিয়ে বিসিএস পরীক্ষায় বারবার প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি দৌলত উজির বাহরাম খান চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। মধ্যযুগের কবিদের জন্মস্থান ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের সম্পর্কে বিসিএস সাহিত্য অংশে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
‘চন্দ্রাবতী’ হলো আরাকান রাজসভার অমাত্য কোরেশী মাগন ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি বিশিষ্ট প্রণয়োপাখ্যান বা কাব্য। মধ্যযুগের রোমান্টিক কাব্যধারার কবি ও তাদের সৃষ্টি সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবশ্যক।
মহাকবি বিদ্যাপতি মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন এবং তাঁর সুমধুর পদের জন্য তাঁকে ‘মিথিলার কোকিল’ বলা হতো। প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের উপাধি এবং রাজসভার ইতিহাস বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কমন একটি প্রশ্ন এলাকা।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন