32nd BCS — প্রশ্নব্যাংক ও এক্সাম সেন্টার
এখানে 32nd BCS-এর সকল বিষয়ের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে বিষয় ধরে পড়তে পারবেন অথবা যেকোনো কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা দিতে পারবেন।
বিষয় নির্বাচন করুন (Filter by Subject):
6টি বিষয়এখানে ‘বৃক্ষ’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো ‘বিটপী’। এছাড়া গাছ, তরু, দ্রুম, মহীরুহ ও পাদপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমার্থক শব্দ যা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে থাকে। মনে রাখবেন, ‘কলাপী’ ময়ূর এবং ‘অবনি’ পৃথিবীর সমার্থক।
‘Subconscious’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ হলো ‘অবচেতন’, যার অর্থ এমন মানসিক প্রক্রিয়া যা সম্পর্কে মানুষ পুরোপুরি সচেতন নয়। পক্ষান্তরে, ‘চেতনাহীন’-এর ইংরেজি হলো ‘Unconscious’। পারিভাষিক শব্দের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো বিসিএস বাংলা ও ইংরেজি উভয় অংশের জন্য ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
‘কমা’ (Comma) হলো একটি ইংরেজি যতিচিহ্ন এবং এটি একটি বিদেশি শব্দ। অন্যদিকে ‘পিস্তল’ ও ‘আলমারি’ পর্তুগিজ ভাষা থেকে এবং ‘ম্যাজেন্টা’ ইতালীয় ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসায় উৎস অনুযায়ী শব্দ চেনার কৌশল রপ্ত করা জরুরি।
‘শূন্যপুরাণ’ হলো রামাই পণ্ডিত রচিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’ (১২০১-১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ)-এর একটি দুর্লভ সাহিত্যকর্ম। বিসিএস পরীক্ষায় অন্ধকার যুগের সময়সীমা এবং এ যুগের সাহিত্যিকদের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
‘অনাবৃষ্টি’ শব্দটি গঠনে বাংলা ‘অনা’ উপসর্গটি ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি দেখা যায় ‘অনাচার’ শব্দেও। বিসিএসে উপসর্গ থেকে আসা প্রশ্নগুলোতে শব্দের অর্থ ও এর উৎস (খাটি বাংলা নাকি সংস্কৃত) ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হয়।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল ভ্রমণকাহিনি ‘পালামৌ’-এর রচয়িতা সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি বঙ্কিমচন্দ্রের অগ্রজ। ১৮৮০-১৮৮২ সালে রচিত এই সৃষ্টিটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে সমাদৃত। বিসিএস পরীক্ষার জন্য ভ্রমণকাহিনির নাম ও লেখকের নাম মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
‘আলোছায়া’ শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এখানে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান পেয়েছে এবং ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ‘আলো ও ছায়া’। দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত ‘ও’, ‘এবং’, ‘তো’ সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয় যা বিসিএস ব্যাকরণ প্রস্তুতিতে বেশ সহায়ক।
‘গোলাপ’ একটি মৌলিক শব্দ, কারণ একে আর ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না। পক্ষান্তরে, সাধিত শব্দগুলোকে ভাঙলে আলাদা অর্থপূর্ণ অংশ মেলে (যেমন: হাত+ল = হাতল)। বিসিএসে শব্দ প্রকরণ থেকে মৌলিক ও সাধিত শব্দ শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
‘দিবারাত্রির কাব্য’ (১৯৩৫) প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। তাঁর সাহিত্যকর্মগুলোতে ফ্রয়েডীয় মনোবিজ্ঞান ও মার্ক্সবাদী দর্শনের এক দারুণ প্রভাব লক্ষ করা যায়। বিসিএস বাংলা সাহিত্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও তাঁর জীবনদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
‘পদ্মগোখরা’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক রচিত একটি জনপ্রিয় গল্প, যা তাঁর ‘শিউলিমালা’ গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। নজরুলের বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’ ও ‘শিউলিমালা’ বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
‘আনোয়ারা’ (১৯১৪) উপন্যাসটি ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমানের একটি অমর সৃষ্টি এবং এটি তার প্রথম ও সর্বাধিক জনপ্রিয় উপন্যাস। এতে তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের বাস্তব জীবনের বিকাশশীলতার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাদের প্রথম উপন্যাস বা ছদ্মনাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখুন।
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল ‘বীরবল’। তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার ধারা সৃষ্টি করেন। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম (যেমন: ভানুসিংহ ঠাকুর, কালকূট, বনফুল) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন কমন পড়ে।
বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সন্ধিবদ্ধ না হলে ‘ঙ’ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে না, তাই সঠিক বানান ‘আকাঙ্ক্ষা’। অন্যদিকে, ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পদের শেষের ‘ম্’ স্থানে অনুস্বার হয় (যেমন: অহংকার, ভয়ংকর)। বিসিএস প্রিলিমিনারিতে শুদ্ধ বানান নির্ণয়ের জন্য এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে ‘পাবক’ শব্দের অর্থ আগুন বা বহ্নি, তাই এটি বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। বাতাসের অন্যান্য জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো বায়ু, হাওয়া, অনিল, পবন, সমীর ইত্যাদি। সমার্থক শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসায় শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক হলো ‘ধ্বনি’, যার সাহায্যে আমরা কথা বলি এবং এর লিখিত রূপ হলো ‘বর্ণ’। মনে রাখবেন, বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো অক্ষর। বাংলা ব্যাকরণের এই মৌলিক সংজ্ঞাগুলো বিসিএস প্রিলিমিনারিতে বারবার পরীক্ষিত হয়।
প্রদত্ত বাক্যে ‘বেঁধে দেয়নি’ মাত্র একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে এবং কোনো খণ্ডবাক্য বা নির্ভরশীল অংশ নেই, তাই এটি একটি সরল বাক্য। বিসিএস পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও বাক্যের প্রকারভেদ চেনার জন্য সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা নির্ধারণ করা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
‘গাছপাথর’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো ‘হিসাব-নিকাশ’। এছাড়া ‘গৌড়চন্দ্রিকা’ অর্থ ভূমিকা এবং ‘কাঁঠালের আমসত্ত্ব’ অর্থ অসম্ভব বস্তু। বিসিএস বাংলা অংশে বাগধারার অর্থ ও প্রয়োগ থেকে নিশ্চিত এক বা দুটি প্রশ্ন থাকে, তাই এগুলো নিয়মিত চর্চা করুন।
‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ এবং ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?’—এই বিখ্যাত উক্তিগুলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত কালজয়ী উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ থেকে নেওয়া হয়েছে। বিসিএস সিলেবাসে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও বিখ্যাত পঙ্ক্তি বা উক্তিগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৯)। তিনি ১৯৫৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এটি রচনা করেন। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা শতভাগ।
‘একাত্তরের দিনগুলি’ (১৯৮৫) হলো শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত একটি প্রামাণ্য ও হৃদয়স্পর্শী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। এতে তার বীর পুত্র ক্র্যাক প্লাটুনের শহীদ সদস্য রুমিসহ মুক্তিকামী বাঙালির আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থগুলো বিসিএস লিখিত ও প্রিলিমিনারি উভয় পরীক্ষার জন্যই সমানভাবে জরুরি।
🎯 বিষয় বেছে পরীক্ষা দিন
পছন্দমতো ২/৩টি বিষয় সিলেক্ট করে কাস্টম টেস্ট শুরু করুন